পাবর্ত্য চট্টগ্রামে সম্প্রীতি রক্ষায় সেনাবাহিনীর অবদান অত্যন্ত প্রশংসনীয়।
আজ ৬ অক্টোবর পার্বত্য জেলার লামায় বৌদ্ধদের ধর্মীয় প্রবারণা উৎসব ও লামা জিনামেজু টেকনিক্যাল ইনস্টিটিউটের মাল্টিমিডিয়া ক্লাস এর শুভ উদ্ভোদন করেন আলীকদম সেনা জোনের মাননীয় জোন কমান্ডার লেফটেন্যান্ট কর্নেল মোঃ শাখাওয়াতুুুল মোনায়েম পিএসসি। তিনি বলেন, চট্টগ্রামের শান্তি ও সম্প্রীতি রক্ষায় সেনাবাহিনী সবসময় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে।’
পাহাড়ি ও বাঙালি জনগোষ্ঠীর মধ্যে ভ্রাতৃত্বপূর্ণ সম্পর্ক বজায় রাখতে তারা যেমন নিরলসভাবে কাজ করছে, তেমনি সহিংসতার সময় ক্ষতিগ্রস্থ সাধারণ মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে মানবিক সহায়তাও প্রদান করছেন।’
সাম্প্রতিক খাগড়াছড়ির সহিংস ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্থ পাহাড়ি ও বাঙালি পরিবারগুলোর পাশে দাঁড়িয়েছে সেনাবাহিনী। খাদ্যসামগ্রী, চিকিৎসা সহায়তা ও পুনর্বাসনের মাধ্যমে তারা মানবিক দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন। এই উদ্যোগে ক্ষতিগ্রস্থ পরিবারগুলো নতুন করে আশার আলো দেখতে পাচ্ছে।’
স্থানীয়দের মতে, সেনাবাহিনীর দ্রুত পদক্ষেপ ও সহায়তার কারণে পরিস্থিতি দ্রুত স্বাভাবিক হয়েছে এবং বড় ধরনের অস্থিরতা এড়ানো সম্ভব হয়েছে।
তারা পাহাড়ের প্রতিটি মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এবং পারস্পরিক সম্প্রীতির বন্ধন দৃঢ় করতে কাজ করে যাচ্ছেন।’
পাবর্ত্য চট্টগ্রামের শান্তি ও উন্নয়নে সেনাবাহিনীর এই অবদান নিঃসন্দেহে অনস্বীকার্য ও প্রশংসনীয়। সকলের প্রত্যাশা–সেনাবাহিনীর এ ধারাবাহিক প্রচেষ্টায় পাহাড় থাকবে শান্ত, নিরাপদ এবং ঐক্যবদ্ব।’
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সাংবাদিক ও মানবাধিকার কর্মী এম রুহুল আমিন, ফাঁসিয়াখালী ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান কামাল উদ্দিন, জিনামেজু অনাথ আশ্রমের জমিদাতা মাহবুব রহমান, ইয়াংচা মৌজা হেডম্যান সহ স্হানীয় পাহাড়ি বাংগালী নেতৃবৃন্দ।’