সৎ মা,ও তার ছেলেরা সহ জোরপূর্বক জমি দখলে, বাহার আলীর বাঁধায়, বর্বর হামলা।
বান্দরবানের আলীকদমে ৩নং নয়া পাড়া ইউনিয়নের রোয়াম্ভ নতুন বশির সর্দার কার্বাড়ি পাড়ার স্থানীয় বাসিন্দা মোঃ বাহার আলী (৬০) গত ১৬ নভেম্বর ২০২৫ সন্ধ্যা অনুমান 05:20ঘটিকার দিকে ভুক্তভোগী মোঃ বাহার আলীর সৎ মা ও তার সৎ ভাই মোঃ ইউনুস(৩৫) মোঃ ইয়াকুব, (৩২)মোঃ সৈয়দ নুর (৫৫) শওকত হোসেন প্রকাশ পুতিয়া, (২৬) কোহিনুর,(৩৫) সেনোয়ারা বেগম,(৪৫)
মনোয়ারা বেগম,(৭০/ মঞ্জুয়ারা,(৫০) সহ জোরপূর্বক জমি দখলের জের ধরে ভুক্তভোগী মোঃ বাহার আলী তাদের বাধা দিলে সে বাধা কে অতিক্রম করে উল্টো তাহার উপর উত্তেজিত সড়াও হয়ে কথা কাটাকাটি ও বাগবিতণ্ড হয়।
ঘটনা সূত্রে জানা যায় ভুক্তভোগী বাহার আলী মাগরিবের নামাজ পড়ে বাজারের উদ্দেশ্যে রওনা হয় এমতাবস্থায় মাঝ পথে তাকে একা পেয়ে হত্যার উদ্দেশ্যে তাহার সৎ ভাইয়েরা শক্ত মোটা গাছের লাঠিসোঁটা নিয়ে তার উপর সবাই ঝাঁপিয়ে পড়ে, এবং প্রচন্ড ভাবে এলো পাথারী আঘাত করতে থাকে মাথায় এবং কোটা শরীরে কঠিন আঘাত জনিত কারণে জ্ঞান হারিয়ে ফেলেন,
সুতরাং গোটা শরীরে এবং মাথা ফেটে রক্তাক্ত জখম হয় স্থানীয়রা তাকে আলীকদম উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এ নিয়ে আসলে কর্মব্যারত চিকিৎসক উন্নত চিকিৎসার জন্য কক্সবাজার সদর হাসপাতালে রেফার করেন।
উপরোক্ত ঘটনার বিষয়ে বাহার আলীর ছেলে মহিউদ্দিন বলেন আমি একজন গরীব অসহায় আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল ও শান্ত প্রিয় লোক হই তার বাবা বাহার আলী মাগরিবের নামাজের পরে বাজারে যাওয়ার পথে মাঝ রাস্তায় একা পেয়ে অন্ধকারে লোকালয়ে হত্যার উদ্দেশ্যে হঠাৎ অতর্কিত ভাবে হামলা করলে এমতাবস্থায় রাস্তায় বাহার আলী ডাক চিৎকার করে। পরে স্থানীয় লোকজন জানাজানি হলে বাহার আলী রাস্তা থেকে নিচে ফেলে দেয়, সুতরাং তার আওয়াজ শুনে স্থানীয় জনতা ঘটনাস্থলে এসে তাকে অজ্ঞান অবস্থায় আলীকদম উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স নিয়ে যাওয়া হয়।
স্থানীয় মোঃ শাহাবুদ্দিন অগ্রযাত্রা প্রতিদিনের সাংবাদিকদের জিজ্ঞাসাবাদবাদে বলেন মাগরিবের পরে বাড়ি ফেরার পথে হঠাৎ চিল্লাচিল্লির আওয়াজ শুনলে ঘটনাস্থলে গেলে বাহার আলী রাস্তার নিচে রক্তাক্ত অবস্থায় দেখতে পান দ্রুত স্থানীয়দের সহযোগিতায় তাকে উদ্ধার করা হয়।
অন্যদিকে আসামি মোঃ ইউনুছ অগ্রযাত্রা প্রতিদিনের সাংবাদিকদের জিজ্ঞাসাবাদ বলেন উপরোক্ত ঘটনার বিষয় তিনি কিছু জানেন না। জমি সংক্রান্ত বিরোধ নিয়ে তাকে ফাঁসানো হচ্ছে এটা পূর্ণাঙ্গ ষড়যন্ত্র বলে তিনি দাবি করেন। এবং তিনি আরো বলেন আমি আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল যে বা যারাই করে থাকে, প্রশাসনের কাছে একটাই দাবি সুস্থ তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় আনগত ব্যবস্থা নেওয়া হোক।
এদিকে ভুক্তভোগী বাহার আলীর সৎ মা মনোয়ারা বেগম গোটা বিষয়কে অস্বীকার জানিয়ে সাংবাদিক বলেন তাহার সৎ ছেলে জমি সংক্রান্ত ঘটনাকে মিথ্যা চক্রান্ত ও ষড়যন্ত্র তৈরি করেছে আমাদের কষ্ট দেওয়ার জন্য। উপরুক্ত বিষয় পূর্ণাঙ্গ মিথ্যা বানোয়াট বলে দাবি করেন তিনি।
অন্যদিকে মনজুর আলমের ছেলে সাখাওয়াত হোসেন বলেন, ঘটনার দিন সকাল ৭ ঘটিকার সময় তিনি দুর্গম অঞ্চলে কাজে চলে যান। রাত আনুমান ৮টার দিকে বাড়ি ফেরেন উপরোক্ত ঘটনার সাথে তিনি জড়িত ছিলেন না, এটা তার বিরুদ্ধে মিথ্যা ষড়যন্ত্র করছে বলে জানান।
ভুক্তভোগীর পরিবার আলীকদম সদর থানায় ৮জন ব্যক্তিকে আসামি করে, অভিযোগ দাখিল করেন। এবং আলীকদম থানার কর্মরত অফিসার ইনচার্জ ওসি মির্জা জহির বলেন উপরোক্ত ঘটনা তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় আইনগতব্যববস্থা নেওয়া হবে।